“প্রেমে খুব ছেঁকা খেয়েছি, আর প্রেমে পড়তে চাই না”: পূর্বাশা

ছোটবেলা থেকেই তার নাচের তালিম শুরু।বিভিন্ন জায়গায় স্টেজে পারফর্ম করতেন।সব জায়গায় প্রশংসার সাথে সাথে বিচারকদের বা দর্শকদের কাছে থেকে শুনতেন তার স্টেপ বা পসচারের থেকে এক্সপ্রেশনটা দারুন।আর তখন থেকে তিনি ভাবতে শুরু করেন তাহলে অভিনয় করলে কেমন হয়!শুরু করলেন থিয়েটার।হাওড়ার বালিতে জন্ম ও বেড়ে ওঠা মেয়েটি বালির থিয়েটার গ্রূপে অভিনয় করতে করতে চলে এলেন কলকাতার থিয়েটার গ্রূপে।আর সেখানে বিভিন্ন গ্রূপে থিয়েটার করতে করতে অডিশনের মাধ্যমে সুযোগ পেলেন বাংলা টেলিভিশনে।যাকে আমরা সম্প্রতি ‘ওগো নিরুপমা’র পিয়া এবং ‘কি করে বলবো তোমায়’-এ ঈশানির চরিত্রে দেখেছি।তিনি পূর্বাশা দেবনাথ।

বাংলা টেলিভিশনে পূর্বাশার প্রথম মেগা ছিল কালার্স বাংলায় ‘রুদ্রানী’।তারপর তাকে দেখা গেছে’কৃষ্ণকলি’,’রানী রাসমনি’,’ধ্রুবতারা’,’বিজয়িনী’ সহ একগুচ্ছ মেগায়।কিন্তু ধারাবাহিকে তাকে বেশিরভাগ সময় নেগেটিভ চরিত্রে দেখা যায় এ প্রসঙ্গ তুলতে তিনি বললেন,”নেগেটিভ পজিটিভ টা আমার কাছে কোনো ব্যাপার নয়।আমি মনে করি চরিত্রটাই আসল।”

এতগুলো মেগা করার পরেও কখনও মনে হয়নি লিড একটা চরিত্রে অভিনয় করা হলো না!পূর্বাশা জানালেন,”আমি চরিত্রাভিনেত্রী হিসেবেই থাকতে চাই।আমি যতটুকু পেয়েছি তাতেই খুশি।”

নেহাল দত্তর ‘ছদ্মবেশি’ ফিচার ফিল্মে পূর্বাশাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে।
ভালো ওয়েভসিরিজও তিনি অভিনয় করতে চান।
খুব শীঘ্রই পূর্বাশাকে নতুন একটি মেগায় দেখা যাবে।যদিও সে বিষয়ে এখনই জানাতে নারাজ অভিনেত্রী।

বাবা,মা,দাদা সহ পূর্বাশার ছোট্ট পরিবার হাওড়ায়।যদিও কাজের সুবিধার্থে তাকে টালিগঞ্জে একাই থাকেন।প্রেম নিয়ে প্রশ্ন করতে পূর্বাশা জানালেন প্রেমে খুব ছেঁকা খেয়েছি,আর প্রেমে পড়তে চাই না।

বাংলা সাহিত্যের ছাত্রী পূর্বাশা আরো ভালো ভালো চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মনে জায়গা করে নিতে চান।

সাক্ষাৎকার: রামিজ আলি আহমেদ

ছবি: বাবান মুখার্জী