পুজোর সময় আমি কলকাতা ছাড়া অন্য কোথাও থাকি না:পৌলমি

সামনেই পুজো।চলছে পুজোর কেনাকাটা।এবছর পুজো প্ল্যানিং নিয়ে অভিনেত্রী পৌলমি দাস আড্ডা দিলেন আনন্দদিন-এর সঙ্গে।

প্রশ্ন:পুজোর চারদিনের প্ল্যানিং কি?

পৌলমি:পুজো আসার এক মাস আগে থেকে দারুন প্ল্যানিং হতে থাকে।কিন্তু আসলে চারটে দিন কেমন যেন হুস করে কেটে যায়।এখন আমার মাথায় প্রচুর প্ল্যানিং।এরকম ভেবে রেখেছি চতুর্থী থেকে অনেক কিছু করবো,বন্ধুদের সঙ্গে আগে থেকে ফোন করা প্ল্যান করা ইত্যাদি হয়।কিছু কিছু প্ল্যান হয়তো হয়ে যায়,আবার কিছু কিছু হঠাৎ করেই ভালো কিছু হয়ে যায়।ফ্যামলির সঙ্গে অনেকটা সময় কাটাবো।মা বাবার সাথে একটু লেট নাইটে থাকুর দেখতে দারুন লাগে।আমরা যেহেতু যৌথ পরিবার আমাদের বাড়িতে হৈ হৈ মাত্রাটা আরো বেশি হয়।বাড়ির ছাদে আড্ডা বসে।

 

প্রশ্ন:পুজোর সাজগোজ কি রাখছো?

পৌলমি:প্যান্ডামিকের পর সবাইয়ের নিজের একটা চেঞ্জেস এসেছে।আগে যেমন পুজো মানে ভাইব্রেন্ট,ঝলমলে জামাকাপড় পরে বেরোবো এরকম মাথায় থাকতো।এবছর পোশাকের পছন্দ অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে।এবছর ভীষণ শাটল কালার কিনেছি।সালোয়ার কামিজ বানিয়েছি,শাড়ি কিনেছি,ইন্দো ওয়েস্টার্ন, ওয়েস্টার্ন কিনেছি।ড্রেসগুলো যে শুধু পুজোতে পরবো এরকম নয়,যেগুলো সারাবছর কম্ফোর্টেবলি পরতে পারবো।অষ্টমীতে সকালে অঞ্জলিতে তো শাড়ি পড়বোই।অষ্টমীর বিকেলেও ইন্ডিয়ান পরবো, সম্ভবত সালোয়ার পরবো।দশমীর দিন ইন্ডিয়ান পরবো।বাকি দিনগুলো ওয়েস্টার্ন,ইন্দোওয়েস্টার্ন পরবো।

প্রশ্ন:পুজোয় খাওয়া দাওয়া নিয়ে কি প্ল্যানিং?

পৌলমি:আমি ফুডি একজন মানুষ।বাঙালি খাবার তো খাবোই।অষ্টমীতে ভোগ।এছাড়া বাইরে ওরিয়েন্টাল,কন্টিনেন্টাল, বিরিয়ানি,মাটন বিরিয়ানি, রোল,ফিসফ্রাই।যতরকমের জাঙ্কফুড যেগুলো অন্য সময় খাওয়া যায় না রেস্ট্রিকশনের জন্য, সেগুলো খাবো।কলকাতার মানুষ কোথায় কোন খাবার ভালো পাওয়া যায় তা খুব ভালো করেই জানে।

প্রশ্ন:পুজোয় কোথায় থাকার প্লানিং?
পৌলমি:অবশ্যই কলকাতায়।পুজোর সময় আমি কলকাতা ছাড়া অন্য কোথাও থাকি না।

প্রশ্ন:পুজোর প্রেম?

পৌলমি:আমি ভীষণ প্রেমিক মানুষ।সারাবছরই প্রেমে থাকি।পুজোতে সেজে গুজে পছন্দের মানুষের সঙ্গে বেরোলো সেটা তো স্পেশাল হয়ে যায়।

প্রশ্ন:তাহলে পৌলমির পছন্দের মানুষটি কে?

পৌলমি:সেটা তো ভবিষ্যতে জানা যাবে।

প্রশ্ন:ছোটবেলার পুজোয় মজার প্রপোজ?

পৌলমি:(হেসে)এরকম ঘটনা আমার জীবনে প্রচুর আছে।একবার হয়েছি কি আমাদের বাড়ির সামনে একটা মাঠে পুজো প্যান্ডেলে গেছি বান্ধবীর সঙ্গে,তখন নাইন বা টেনে পড়ি।সেই সময় ওখানে একদল ছেলের মধ্যে থেকে একজন আমার বান্ধবীকে ডেকে হাতে নম্বর লিখে দেয় আমাকে দেওয়ার জন্য,তখন তো সোশ্যাল মিডিয়া ছিল না।যদিও আমি ব্যাপারটা পাত্তা দিইনি একদমই।তাছাড়া আমি বিভিন্ন প্রোগ্রামে ছোট থেকে নৃত্য পারফর্ম করতাম সেখানে বিভিন্নজন বিভিন্নভাবে প্রপোজ করতো।পুজোর সময় আড্ডায় গানের লড়াই হলে,সেখানে বিভিন্নভাবে প্রপোজ করতো।এরকম মজার ঘটনা প্রচুর আছে।
সাক্ষাৎকার:রামিজ আলি আহমেদ
ছবি:বাবান মুখার্জী
মেকআপ এবং হেয়ার:বাবান ইসলাম
ড্রেস:কিয়ারা সেন