ঢাকা’য় সংস্কৃতি অনুরাগী সীমা হামিদ’র নেতৃত্বে শুরু হচ্ছে ইয়ুথ বাংলা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২১

রোমান রায় :  শীতের আমেজের শুরুতেই ঢাকার উত্তরায় প্রথমবারের মত শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। বাংলাদেশের  ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংগঠন ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও বিজয়ের সূবর্ণ জয়ন্তীবর্ষ উপলক্ষ্যে আগামী ১০-১৬ ডিসেম্বর ২০২১ সপ্তাহব্যাপী এ উৎসবের আয়ােজন করছে। ‘Together we all, divided we fall এই স্লোগান নিয়ে উৎসবে দেশ-বিদেশের স্বনামধন্য নির্মাতাদের ৬০ টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে এই উৎসবে। চলচ্চিত্র উৎসবের ভেন্যু হিসেবে থাকছে ৪৫০ আসনের ইন্টারন্যাশানাল হােপ স্কুল থিয়েটার হল, রােড নং-৬, প্লট নং-৭, গেইট -৪, সেক্টর-৪, উত্তরা, ঢাকা। বাংলাদেশে এই প্রথম ডলবি সাউন্ড সিস্টেমসহ ২৪ ফুট প্রস্থ ও ১৬ ফুট দৈর্ঘ্যের এলইডি পর্দায় বেলা ৩ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত বিনামূল্যে উৎসবের সকল চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হবে। গত ৭ ডিসেম্বর  মঙ্গলবার দুপুর ১২ টায় বাংলাদেশ শুটিং স্পাের্ট ফেডারেশন, গুলশান -১, ঢাকায় এক সংবাদিক সম্মেলনে বিশিষ্ট সংস্কৃতি অনুরাগী ও ইয়ুথ বাংলার প্রধান পৃষ্ঠপােষক জনাব সীমা হামিদ ও উৎসব কমিটির পরিচালক বিশিষ্ট চলচ্চিত্রকার গাজী রাকায়েত ঘােষণাপত্র পাঠ করেন। চলচ্চিত্র উৎসবের বিস্তারিত বিষয়াদি জানাতে সংবাদিক সম্মেলনে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব দিলারা জামান, শম্পা রেজা, আল মামুন, বিশিষ্ট সাংবাদিক জনাব দেওয়ান হাবিব, বিশিষ্ট অভিনেত্রী  শর্মিলি আহমেদ, বিশিষ্ট আবৃত্তিকার শিমুল মুস্তফা, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী এস আই টুটুল, চিত্রনায়িকা নিপুন আক্তার, সংস্কৃতিকর্মী ফারজানা রওশন এবং ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশনের সভাপতি মুনা চৌধুরী। সীমা হামিদ বলেন, ‘চলচ্চিত্র উৎসব যেকোন দেশের চলচ্চিত্র ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। ভালাে ছবি দেখার ব্যাপারে আমাদের সাধারণ মানুষের যথেষ্ট আগ্রহ আছে। ভালাে ছবির চাহিদা থাকলেও, ভাল ছবির তেমন যােগান আমাদের কাছে নেই। ভালাে ছবির যােগান তৈরি করতে হবে। শুধু সস্তা বিনােদনের মাধ্যমে দর্শকের মনােরঞ্জন করাই চলচ্চিত্রের মূল উদ্দেশ্য হতে পারে না। চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কথা বলে, তাদের সচেতন করে একটি রুচিবান, আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক নতুন প্রজন্ম তৈরি করাই ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য বাস্তবায়নেই চলচ্চিত্র উৎসবের আয়ােজন।