প্রতিভাবান অভিনেত্রী রিয়া পাল

 

হুগলী জেলার দেবানন্দপুর গ্রামের মেয়ে।সেখানেই জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা।স্কুলিং সেখান থেকেই,এরপর উচ্চমাধ্যমিক পড়ার সময় তার বিয়ে হয়ে যায়।দীর্ঘ ১২ বছর সংসার জীবন ,কিন্তু তারপর ছেদ পড়ে সম্পর্কে।বিবাহবিচ্ছেদের পর চলে আসেন কলকাতায়।পড়তে শুরু করেন ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং।সেই সময় শুরু করেন থিয়েটার করতে।

থিয়েটার করতে করতেই সুযোগ চলে আসে মেগা ধারাবাহিক ও ছবিতে।তারপর আর তাকে পিছনে ফিরতে হয়নি।তিনি রিয়া পাল।আকাশ ৮-এর
‘পুলিশ ফাইলস’,’সত্যমেব জয়তে’,’রান রনি রান’ মেগা গুলো দিয়ে তিনি কেরিয়ার শুরু করেন।এরপর তিনি করলেন ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’ ,’ঝুমুর’,’আমার দুর্গা’,’সীমারেখা’,’ওম নমঃ শিবায়’,’ইরাবতীর চুপকথা’,’সাগরিকা’,’মহাতীর্থ কালীঘাট’,’নিশির ডাক’ আরও অনেক মেগায়।

 

ছবিতে রিয়ার প্রথম আত্মপ্রকাশ ঘটে সানোয়ার হোসেনের ছবিতে।ছবির নাম ‘কি করে ভুলবো তোমায়’।এরপর তিনি অভিনয় করলেন ‘বসন্ত এসে গেছে’,’প্রজাপতি বিস্কুট’,’বাঘ বন্দি খেলা’,’ জি বাংলা অরজিনালস-এ ‘অলৌকিক অভিযান’,হিন্দি ছবি ‘চেজ:নো মার্সি টু ক্রাইম’।মুক্তি পাবার অপেক্ষায় আছে বাংলা ছবি ‘মায়া কুঠি’,’মিনি’,হিন্দি ছবি ‘হানচ’,’মিসেস আন্ডারকভার’,’ওয়ার্ল্ড ইজ মাইন’।

অভিনয় করেছেন ‘হ্যালো’,’কর্কট রোগ’,’মাফিয়া’,’বহুরুপী’, ‘নাকাব’-এর মতো জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজেও।

রিয়ার খুব শীঘ্রই হিন্দিতেও মেগা আসতে চলেছে।রিয়া ভবিষ্যতে হিন্দিতে আরো ভালো ভালো প্রোজেক্টে কাজ করতে চান।বাংলায় তার বিশেষ ইচ্ছে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায়ের পরিচালনাতে কাজ করার।আর মুম্বাইয়ে শিফট হলে অবশ্যই হিন্দি কোনো ভালো নাটকের দলে অভিনয় করতে চান।আর তার স্বপ্ন একজন ভালো অভিনেত্রী হিসেবে মানুষ তাকে মনে রাখুক।

সাক্ষাৎকার:রামিজ আলি আহমেদ
ছবি:বুলান ঘোষ